বছরের তৃতীয় প্রান্তিক

জ্বালানি তেলের চাহিদা ঊর্ধ্বমুখী থাকার পূর্বাভাস

বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে।

বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে। এছাড়া পরবর্তী মাসগুলোয় বাজারে সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য টানটান থাকবে। সম্প্রতি রুশ সংবাদমাধ্যম আরআইএকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এমন মন্তব্য করেন ওপেকের সেক্রেটারি জেনারেল হাইসাম আল ঘাইস। খবর রয়টার্স।

ভিয়েনায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ওপেক সেমিনারের ফাঁকে দেয়া সাক্ষাৎকারে আল ঘাইস বলেন, ‘বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় থাকার কারণে ২০২৫ সালে দৈনিক ১৩ লাখ ব্যারেল হারে জ্বালানি তেলের চাহিদা বাড়তে পারে। বিশেষ করে তৃতীয় প্রান্তিকে চাহিদা বৃদ্ধি শক্তিশালী ধারা বজায় রাখবে।’

তিনি জানান, চলতি বছরের চতুর্থ প্রান্তিকেও জ্বালানি তেলের ঊর্ধ্বমুখী চাহিদা বজায় থাকবে। এ সময় চাহিদার তুলনায় সরবরাহ খুব বেশি বাড়বে না। এ কারণেই আটটি দেশের জোট পুনরায় উত্তোলন বাড়ানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

তবে ওপেক সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড অয়েল আউটলুক ২০২৫’ প্রতিবেদনে আগামী চার বছরের বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের চাহিদার পূর্বাভাস কিছুটা কমিয়েছে। চীনের অর্থনীতিতে ধীরগতির প্রবৃদ্ধির কারণে আগে দেয়া প্রাক্কলন সংশোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

ওপেকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা গড়ে ১০ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল থাকতে পারে। ২০২৬ সালে তা বেড়ে ১০ কোটি ৬৩ লাখ এবং ২০২৯ সালে গড়ে ১১ কোটি ১৬ লাখ ব্যারেলে পৌঁছতে পারে।

আরও